October 8, 2026, 5:22 am

এবার ঢাকার থানাতেও বাঙ্কার, প্রস্তুত এলএমজি

এবার ঢাকার থানাতেও বাঙ্কার, প্রস্তুত এলএমজি

ঝুঁকি বিবেচনায় নিয়ে রাজধানীর ঢাকার কয়েকটি থানায় বাঙ্কার তৈরি করা হয়েছে। এগুলোতে ২৪ ঘণ্টা লাইট মেশিন গান নিয়ে এলএমজি পুলিশ সদস্যদের ডিউটি করতে দেখা গেছে।

সরেজমিনে ঢাকার সবুজবাগ ও বংশাল থানায় বাঙ্কারে এলএমজি নিয়ে পুলিশ সদস্যদের প্রস্তুত থাকতে দেখা গেছে।

বংশাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীন ফকির  বলেন, ‘নিরাপত্তার স্বার্থে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) নির্দেশে এই বাঙ্কার তৈরি করা হয়েছে। থানার নিরাপত্তায় ২৪ ঘণ্টা অফিসাররা রোস্টার ভিত্তিতে ডিউটি করবেন। এছাড়াও থানার আশপাশের নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে।’

এদিকে সবুজবাগ থানায়ও বাঙ্কার তৈরির চিত্র লক্ষ্য করা গেছে। সবুজবাগ থানার ওসি মাহবুব আলম  বলেন, ‘সারাদেশের থানাগুলোতেই করা হয়েছে। নিরাপত্তা বৃদ্ধির অংশ হিসেবে বাঙ্কার তৈরি করা হয়েছে। ঢাকার প্রায় সব থানায়ই নিরাপত্তা বৃদ্ধি করা হয়েছে।’

dhaka post

এর আগে, বৃহস্পতিবার ঢাকার সব থানার নিরাপত্তা বৃদ্ধির নির্দেশনা দেন ডিএমপি কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম। থানার আশপাশে ২৪ ঘণ্টা টহলের নির্দেশনা দেন তিনি।

এ বিষয়ে ডিএমপি কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম  বলেছিলেন, ‘হেফাজতের আন্দোলনসহ যেকোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে আমি ইতোমধ্যে থানার নিরাপত্তা বৃদ্ধির নির্দেশনা দিয়েছি। ঝুঁকিপূর্ণ থানাগুলোতে সবসময় একটা মোবাইল টিম দায়িত্বে থাকবে। ওই টিম সারাদিন থানার আশপাশ দিয়ে ঘোরাফেরা করবে। তারা কখনও থানার থেকে বেশি দূরে যাবে না। টহল দেবে ২৪ ঘণ্টা। থানায় সার্বক্ষণিক দায়িত্বে আগে একজন সেন্ট্রি ছিল। বর্তমানে একজনের জায়গায় একসঙ্গে দুজন সেন্ট্রি দায়িত্ব পালন করবে। পাশাপাশি থানায় একসঙ্গে মোট ছয় জন সেন্ট্রি অবস্থান করে। দুজন ডিউটি করবে। যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় বাকিরা স্ট্যান্ডবাই থাকবে।’

এছাড়াও থানাগুলো নিজস্ব উদ্যোগে নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে বলে জানান ডিএমপি কমিশনার।

উল্লেখ্য, গত ২৮ মার্চ (রোববার) হেফাজতের ডাকা সকাল-সন্ধ্যা হরতালে দেশের বিভিন্ন এলাকায় তাণ্ডব চালায় হরতাল সমর্থনকারীরা। বিশেষ করে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল বিশ্বরোড মোড়ে খাঁটিহাতা হাইওয়ে থানায় হামলা ও ভাঙচুর করা হয়। আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হয় কয়েকটি অস্ত্র।

ওই হামলাকারীদের মধ্যে ছিল উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শিশু-কিশোর। এ সময় পুলিশের গুলিতে নিহত দুজনের একজন শিশু। আহতদের মধ্যেও কয়েকটি শিশু ছিল। হামলাকারীরা থানা কম্পাউন্ডের ভেতরে রাখা সাঁজোয়া গাড়িতে (এপিসি) আগুন ধরিয়ে দেয়। একই সময়ে হামলাকারীরা থানার সরকারি দুটি পিকআপ ভ্যান ও ২০ টনের একটি রেকার পুড়িয়ে দেয়। থানার সামনে বিভিন্ন মামলার আলামত হিসেবে রাখা দুটি লেগুনা, দুটি ব্যক্তিগত গাড়ি ও ১০-১২টি মোটরসাইকেলেও আগুন দেওয়া হয়। পরে থানা কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগ করার চেষ্টা করে হামলাকারীরা।

Please Share This Post in Your Social Media


Comments are closed.

© 2019 Businessnewsbs24.com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com